1. news@www.joybangla24tv.com : news :
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বন্যার কারণে কাটা রাস্তায় সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সয়াবিন তেলের দাম কমল এ সেতু আমাদের অহংকার, গর্ব, সক্ষমতা আর মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের বন্যা পরিদর্শনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী সহজ ডটকমের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেসে আগুন সীতাকুণ্ডের ডিপোতে কেমিক্যাল থাকা ৪ কনটেইনার চিহ্নিত: সেনাবাহিনী গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে সরকার, এক চুলা ৯৯০, দুই চুলা ১০৮০ টাকা কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ১৯ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো মালিকপক্ষকে মেলেনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুন, নিখোঁজ ৩ ফায়ার সার্ভিস কর্মীর
শিরোনাম:
কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে উপজেলার চেয়ারম্যান আকবার হোসেন হিরো গ্রেপ্তার ত্রান হাতে নিয়ে বন্যার্তিদের ঘরে সামনে “ফেঞ্চুগঞ্জ যুব সমাজ” সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ঘর ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপর হামলা.. বানারীপাড়া উপজেলায় আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার কমিটি গঠন জগন্নাথপুরে তালহা আলম এর তত্বাবধানে এলো ১ কোটি টাকার ত্রান যশোরের বেনাপোলের যুবক দশটি স্বর্ণের বারসহ মাগুরায় আটক যশোর জেলা ইমাম পরিষদ কর্তৃক সিলেটে২ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শার্শা’য় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রশিক্ষণ শাজাহানপুরে জমির মাটি খুড়ে রড উত্তোলনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষের তোড়জোড়

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মে, ২০২২
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

দেশের ইতিহাসে প্রথম টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে। এর নামকরণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’। পতেঙ্গা ও আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণকাজ চলছে পুরোদমে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টানেলের ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে । এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে চলছে তোড়জোড়।

কাজের অগ্রগতির বিষয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৮৫ শতাংশ। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। টানেলের কাজ শেষ হলে চীনের সাংহাইয়ের আদলে চট্টগ্রামে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ‘এ টানেলের দুইটি টিউবের খনন কাজ আগেই শেষ হয়েছে। এখন টানেলের অভ্যন্তরের স্ট্রাকচারের কাজ চলছে। দুই টিউবের ক্রস প্যাসেজের কাজ চলছে। উচ্চমাত্রার ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কথা চিন্তা করেই টানেলের ডিজাইন করা হয়েছে। টানেলের মুখে ফ্লাডগেটসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ডিজাইন অনুযায়ী। সুতরাং জলোচ্ছ্বাস হলেও টানেলের কোন ক্ষতি সাধন হবে না।’

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রথম টিউবের পর দ্বিতীয় টিউবে রোড স্ল্যাব স্থাপন কাজও সমানতালে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি চলছে দুইটি টিউবের মধ্যে ক্রস প্যাসেজ বা আন্তঃসংযোগের কাজ। টানেলের পতেঙ্গা অংশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলেছে। অনুরূপভাবে দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ আনোয়ারা অংশে সংযোগ সড়কের নির্মাণ এগিয়ে নিচ্ছে সেতু বিভাগ।

কর্ণফুলীর দক্ষিণে আনোয়ারায় রয়েছে কোরিয়ান ইপিজেড, চায়না ইপিজেড, সিইউএফএল, পারকি সমুদ্র সৈকত। কর্ণফুলী পেরিয়ে আনোয়ারা হয়েই কক্সবাজার, বাঁশখালী ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরে যেতে হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও চীন সরকারের (জি টু জি) যৌথ অর্থায়নে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে চার হাজার ৪৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা আর চীন সরকারের ঋণ পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের পর টানেলের চট্টগ্রাম নগরের প্রান্তের কাজ শুরু হয় পতেঙ্গা নেভাল একাডেমির পাশ থেকে। এটি কাফকো ও সিইউএফএল সীমানার মাঝখান দিয়ে উঠে কর্ণফুলী-আনোয়ারা প্রান্তে সংযোগ ঘটাবে।

মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার এবং ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার। প্রতিটি টিউবে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে নদীর দুই প্রান্তে মোট ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযুক্ত সড়ক থাকবে। এছাড়াও ৭২৭ মিটার দীর্ঘ একটি ফ্লাইওভার থাকবে আনোয়ারা অংশে।

এদিকে, ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টানেল নির্মাণ কাজ শেষ হলে কর্ণফুলী নদীর আনোয়ারা অংশে অর্থাৎ দক্ষিণ চট্টগ্রামে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণে আসবে বিদেশি বিনিয়োগ।

বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে যে টানেল হচ্ছে, তা দক্ষিণ চট্টগ্রামকে কাজে লাগাতে ভালো ভূমিকা রাখবে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় শিল্প কারখানা করা যাবে। টানেল ব্যবহারে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। টানেলের ফলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ চট্টগ্রাম, চকরিয়াসহ কক্সবাজার অঞ্চলে অনেক জায়গা পড়ে আছে। টানেলের কারণে এসব জায়গায় বিদেশিরা বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। বিদেশি বিনিয়োগ এলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। তবে টানেলের সঙ্গে সঙ্গে নদীর দক্ষিণ পাড়ে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ দ্রুত গড়ে তুলতে হবে।’

টানেল নির্মাণের জন্য চাইনিজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিসিসি লিমিটেড ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ জুন বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরে বাংলাদেশ সরকার (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) ও চীন সরকারের (দ্য এক্সিম ব্যাংক অব চায়না) মধ্যে ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর ঋণ চুক্তি সই হয়। ২০১৭ সালের ৬ নভেম্বর ঋণ চুক্তি কার্যকর হয়। পরে ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ‘টানেলের নির্মাণ’ কাজের উদ্বোধন করেন।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ নির্মাণের দায়িত্বে থাকা চীনা কোম্পানিকেই এর রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১৮ মে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ কাজের জন্য চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (সিসিসিসি) এ দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন পায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত                                                                                             

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট